স্ত্রীর হাত-পা খাটের সঙ্গে বাঁধা। ঘরের সিলিং ফ্যানে ঝুলছিল স্বামীর মরদেহ। দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে স্বজনেরা।
মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯ টায় গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিমখন্ড গ্রামের মসজিদ মোড় এলাকায় এই ঘটনায় ঘটে। রাত ১১টায় ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ নিয়ে যায় পুলিশ।
স্বামী মো. হৃদয় (২২) মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার পারিঘাটা গ্রামের শাহিনের ছেলে। তিনি স্থানীয় আফাজ উদ্দিনের বাড়ির কক্ষে ভাড়া থেকে একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করতেন। স্ত্রী মোছা. আর্জিনা তার সঙ্গে থাকতেন।
স্ত্রীর ভাষ্য, তার হাত-পা খাটের সঙ্গে বেঁধে মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে সামনে ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন স্বামী। ঘটনা তদন্তে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
স্বজনেরা জানান, আর্জিনা মো. হৃদয়ের দ্বিতীয় স্ত্রী। গত তিন মাস আগে তাকে বিয়ে করেন তিনি। তবে বিয়ের বিষয়টি দুই পরিবারের কেউ জানতো না। মঙ্গলবার ঘরের ভেতর থেকে অস্পষ্ট চিৎকারের শব্দ পেয়ে পার্শ্ববর্তী কক্ষের লোকজন বাড়ির মালিককে খবর দেন। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে হৃদয়ের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় খাটের সঙ্গে আর্জিনাকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়।
হৃদয়ের স্ত্রী মোছা.আর্জিনা জানান, স্বামী ঘরে ঢুকে জোর করে তার হাত- পা খাটের সঙ্গে বেঁধে ফেলেন। কথা বলতে চাইলে তার মুখে কাপড় গুঁজে দেন স্বামী। এ সময় তার ওড়না নিয়ে ফ্যানের সঙ্গে বেঁধে ফাঁসিতে ঝুলতে চেষ্টা করছিলেন তার স্বামী। এক পর্যায়ে গুঁজে দেয়া কাপড় মুখ থেকে পড়ে গেলে স্বামী আবারও কাপড়টি মুখে গুঁজে দেন। এরপর তার সামনে ফ্যানে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন হৃদয়। তবে কি কারণে এমনটা করেছেন, তা তিনি বলতে পারেননি। তাদের মধ্যে কোনও ঝগড়া ছিল না।
আর্জিনা আরও জানান, তার স্বামী এর আগেও বিভিন্ন সময় দুষ্টুমি করে খাটের সঙ্গে তার হাত-পা বেঁধেছেন। মঙ্গলবার কপালে চুমু খেয়ে তার হাত-পা বাঁধা শুরু করেন। এ সময় নিজেদের অন্তরঙ্গ কিছু দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করেন হৃদয়। এরপর হাত-পা শক্ত করে বেঁধে ফেলেন। শক্ত করে বাঁধার বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি চিৎকার করেন। শব্দ বন্ধ করতে স্বামী তার মুখে কাপড় গুঁজে দেন।
আর্জিনা বলেন, ‘আমার স্বামীর স্ত্রী থাকার বিষয়টি আমি আগে জানতাম না। পরে জানতে পেলেও তা মেনে নিয়ে স্বাভাবিক সংসার করছিলাম ‘
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জামান বলেন, খবর পেয়ে আমরা মরদেহ উদ্ধার করেছি। এই ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯ টায় গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিমখন্ড গ্রামের মসজিদ মোড় এলাকায় এই ঘটনায় ঘটে। রাত ১১টায় ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ নিয়ে যায় পুলিশ।
স্বামী মো. হৃদয় (২২) মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার পারিঘাটা গ্রামের শাহিনের ছেলে। তিনি স্থানীয় আফাজ উদ্দিনের বাড়ির কক্ষে ভাড়া থেকে একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করতেন। স্ত্রী মোছা. আর্জিনা তার সঙ্গে থাকতেন।
স্ত্রীর ভাষ্য, তার হাত-পা খাটের সঙ্গে বেঁধে মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে সামনে ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন স্বামী। ঘটনা তদন্তে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
স্বজনেরা জানান, আর্জিনা মো. হৃদয়ের দ্বিতীয় স্ত্রী। গত তিন মাস আগে তাকে বিয়ে করেন তিনি। তবে বিয়ের বিষয়টি দুই পরিবারের কেউ জানতো না। মঙ্গলবার ঘরের ভেতর থেকে অস্পষ্ট চিৎকারের শব্দ পেয়ে পার্শ্ববর্তী কক্ষের লোকজন বাড়ির মালিককে খবর দেন। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে হৃদয়ের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় খাটের সঙ্গে আর্জিনাকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়।
হৃদয়ের স্ত্রী মোছা.আর্জিনা জানান, স্বামী ঘরে ঢুকে জোর করে তার হাত- পা খাটের সঙ্গে বেঁধে ফেলেন। কথা বলতে চাইলে তার মুখে কাপড় গুঁজে দেন স্বামী। এ সময় তার ওড়না নিয়ে ফ্যানের সঙ্গে বেঁধে ফাঁসিতে ঝুলতে চেষ্টা করছিলেন তার স্বামী। এক পর্যায়ে গুঁজে দেয়া কাপড় মুখ থেকে পড়ে গেলে স্বামী আবারও কাপড়টি মুখে গুঁজে দেন। এরপর তার সামনে ফ্যানে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন হৃদয়। তবে কি কারণে এমনটা করেছেন, তা তিনি বলতে পারেননি। তাদের মধ্যে কোনও ঝগড়া ছিল না।
আর্জিনা আরও জানান, তার স্বামী এর আগেও বিভিন্ন সময় দুষ্টুমি করে খাটের সঙ্গে তার হাত-পা বেঁধেছেন। মঙ্গলবার কপালে চুমু খেয়ে তার হাত-পা বাঁধা শুরু করেন। এ সময় নিজেদের অন্তরঙ্গ কিছু দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করেন হৃদয়। এরপর হাত-পা শক্ত করে বেঁধে ফেলেন। শক্ত করে বাঁধার বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি চিৎকার করেন। শব্দ বন্ধ করতে স্বামী তার মুখে কাপড় গুঁজে দেন।
আর্জিনা বলেন, ‘আমার স্বামীর স্ত্রী থাকার বিষয়টি আমি আগে জানতাম না। পরে জানতে পেলেও তা মেনে নিয়ে স্বাভাবিক সংসার করছিলাম ‘
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জামান বলেন, খবর পেয়ে আমরা মরদেহ উদ্ধার করেছি। এই ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
Tags
news