পদার্থ কি? পদার্থের বৈশিষ্ট্য ও প্রকারভেদ কি কি ?

 পদার্থ এমন একটি বস্তু যার ভর এবং আয়তন রয়েছে এবং শক্তির ক্রিয়া প্রতিরোধ করে।

পদার্থ কি

পদার্থের ধরন

গঠন, ভর এবং অবস্থান অনুযায়ী পদার্থকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়। অবস্থান অনুসারে পদার্থকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- ১. কঠিন, ২. তরল এবং 3. বায়ু বা বায়বীয়। বস্তুত পদার্থকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. বিশুদ্ধ পদার্থ এবং 2. অপবিত্র পদার্থ বা মিশ্রণ। শুধুমাত্র একটি পদার্থের সমন্বয়ে গঠিত সমজাতীয় পদার্থকে বিশুদ্ধ পদার্থ বলে। একাধিক বিশুদ্ধ পদার্থের মিশ্রণকে একটি অপবিত্র পদার্থ বলা হয়, যা একজাতীয় বা একজাতীয় হতে পারে। বিশুদ্ধ পদার্থকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. মৌলিক পদার্থ এবং 2. যৌগিক পদার্থ.

মৌলিক পদার্থ এবং যৌগিক পদার্থের মধ্যে পার্থক্য

যে পদার্থকে ছোট ছোট অংশে বিভক্ত করা হলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কিছু উৎপন্ন হয় না, সেটিই একটি মৌলিক পদার্থ। যেমন: কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), আয়রন (Fe) ইত্যাদি। যতই ভাগে ভাগ করা হোক না কেন কার্বন পাওয়া যাবে। একইভাবে, হাইড্রোজেনের বিভাজন শুধুমাত্র হাইড্রোজেন উৎপন্ন করে।

যৌগিক পদার্থ হল যেগুলিকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করলে একাধিক মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ - জল (H2O) একটি রাসায়নিক যৌগ। এখানে জল বিভাজন হাইড্রোজেন (H2) এবং অক্সিজেন (O) উৎপন্ন করে। মৌলিক পদার্থের পরিমাণ সসীম হলেও যৌগিক পদার্থের পরিমাণ অসীম বলে বিবেচিত হয়।

ব্যাপার বৈশিষ্ট্য

বস্তুর কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। বৈশিষ্ট্য হল:

১ বস্তু স্থান নেয়.

২ পদার্থের নির্দিষ্ট মাধ্যাকর্ষণ আছে।

৩ শক্তি প্রয়োগ বাধা সৃষ্টি করে।

৪ তাপ পদার্থের অবস্থা পরিবর্তন করে।

৫ অনেক রাজ্যে পদার্থ থাকতে পারে।

উদাহরণ: জল একটি পদার্থ। এটির ওজন আছে, স্থান দখল করে এবং বল প্রয়োগ করা হলে একটি স্নাগ তৈরি করে। যখন জল উত্তপ্ত হয়, এটি বাষ্পে পরিণত হয় এবং তাপ সরানো হলে, এটি তরলে পরিণত হয়। যদি আরও তাপ সরানো হয়, কঠিন বরফে পরিণত হয়।

Post a Comment

Previous Post Next Post

Contact Form